Singer Palak Muchhal: ৩৮০০ শিশুর হার্টসার্জারির জন্য অর্থ প্রদান, গিনিস বুকে নাম উঠল পালক মুচ্ছলের

Palak Muchhal: পালক দেশের প্রায় ৩ হাজার শিশুর হার্ট সার্জারির জন্য আর্থিক সাহায্য করেছেন, যদি বিদেশের সংখ্যা এর সঙ্গে মেলানো হয়, তাহলে দাঁড়ায়, মোট ৩৮০০-র ও বেশি শিশুর হার্ট সার্জারি করিয়েছেন পালক

৩৮০০ শিশুর হার্টসার্জারির জন্য অর্থ প্রদান, গিনিস বুকে নাম উঠল পালক মুচ্ছলের

Source : facebook

কলকাতা: সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে যেমন পালক মুচ্ছল (Palak Muchhal)-র জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া, তবে পাশাপাশি পালকের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি সমাজের জন্য প্রচুর কাজ করে থাকেন এবং তা কার্যত নীরবে। যে সমস্ত মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন, তাঁদের অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন পালক। তাঁর একটি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন রয়েছে, পলাশ চেরিটেবল ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন পালকের দাদা পলাশের নামে। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে শিশুদের হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সাহায্য করে থাকেন পালক। আর সমাজের প্রতি তাঁর এই অবদানের জন্যই এবার গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ও লিমকা বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠল সঙ্গীতশিল্পীর।

জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত পালক দেশের প্রায় ৩ হাজার শিশুর হার্ট সার্জারির জন্য আর্থিক সাহায্য করেছেন, যদি বিদেশের সংখ্যা এর সঙ্গে মেলানো হয়, তাহলে দাঁড়ায়, মোট ৩৮০০-র ও বেশি শিশুর হার্ট সার্জারি করিয়েছেন পালক। বিশাল এই কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিহাসের পাতায় নাম উঠল গায়িকার। তবে একদিনে এই পদক্ষেপ নেননি পালক। খুব ছোটবেলা থেকেই, দুঃস্থ শিশুদের জন্য প্রাণ কাঁদত তাঁর। অনেক ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সাহায্য করে শুরু করেছিলেন পালক। সঙ্গীতশিল্পী অনেক ছোটবেলা থেকেই গান গাইতেন, সেই অর্থ দিয়েই তিনি সাহায্য করতে দুঃস্থ শিশুদের।

বড় হওয়ার পরে, দুঃস্থদের পাশে আরও বেশি করে দাঁড়িয়েছেন পালক। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি দুঃস্থ শিশুদের সাহায্য় করেছেন। তবে তাঁর কাছে ভীষণ গুরুত্ব পেয়েছে শিশুদের স্বাস্থ্য। অনেক সময়েই এমন কোনও জটিল রোগ হয়, যেটার চিকিৎসা করার অর্থ থাকে না পরিবারের কাছে। মূলত তা হার্ট সংক্রান্ত রোগ। সেই রোগের শিকার হয়েই অনেকটা সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায় অনেক শিশু। এই পরিস্থিতিকে সামাল দিতেই যথাসাধ্য চেষ্টা করতে শুরু করেছিলেন পালক। আর এবার, তাঁর শিশুদের সাহায্য় করার সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩৮০০-র ও বেশি।

মাত্র ৭ বছর বয়সে পালক কার্গিল যোদ্ধাদের সাহায্য করার জন্য পথে নেমে গান গেয়েছিলেন। সেই সময়, তিনি গান গেয়ে উপার্জন করেছিলেন ২৫ হাজার টাকা। সেই টাকা তিনি কার্গিলের যোদ্ধাদের দিয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি এক স্কুল পড়ুয়ার হার্ট সার্জারির জন্য তিনি ৫১ হাজার টাকা দান করেন। সেই সময় থেকেই তিনি নিজের ফাউন্ডেশন তৈরির পরিকল্পনা করেন।

Related Posts